হলুদ মূত্রনালীর ক্যান্সার নিরাময় করে

নির্বাচিত লাইফস্টাইল

রান্নার একটি সহজলভ্য উপকরণ হলুদ। অতি প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নার অন্যতম প্রধান মসলা হিসেবে হলুদ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। রান্নায় হলুদ ব্যবহারে শুধু তরকারির রঙই পরিবর্তন হয় না, এটি খাবারকে জীবাণুমুক্তও করে। শুধু তাই নয়, মূত্রনালীতে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এই মসলা। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জি নিউজের স্বাস্থ্য বিষয়ক এক প্রতিবেদনে হলুদের নানা গুণ তুলে ধরা হয়েছে। আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির একটি জার্নালে বলা হয়েছে, হলুদে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এ ছাড়াও রয়েছে অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান।

হলুদ প্রটেস্ট বা মূত্রনালীর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। যারা এ ক্যান্সারে আক্রান্ত তারা নিয়মিত হলুদ খেলে উপকার পাবেন। কারণ হলুদ প্রস্টেট ক্যান্সারকে শরীরে বেড়ে উঠতে দেয় না। তেমনি ক্যান্সার সেলগুলোকেও বিনষ্ট করে ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হলুদে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা টিউমারের আকার কমিয়ে আনে। হলুদ লিউকেমিয়া ও কোলন কার্সিনমাসের টিউমার সেলের বৃদ্ধি ও প্রতিরোধ করতে সক্ষম। হলুদে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকায় এটি বাতের ব্যথা ও ফোলাভাব কমায়। হলুদের মধ্যকার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষিত রাখে।

হলুদ রক্তে শর্করা ও ইনসুলিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, পেটে হঠাৎ গ্যাস, ক্ষুধামন্দা ও যকৃত পীড়ার সহজ সমাধান হলুদ। মাথাব্যথা, ব্রঙ্কাইটিস, সর্দি, জ্বর, ঋতুস্রাবজনিত সমস্যা ও ফুসফুসে ইনফেকশন সারাতে হলুদের রস খাওয়া যেতে পারে। এক গ্লাস গরম দুধে এক চা চামচ হলুদ বাটা ও মধু দিয়ে খেতে পারেন। চিবিয়েও খেতে পারেন হলুদ। এ ছাড়া মানসিক অবসাদ, আলঝেইমার্স ও কিডনির সমস্যা দূর করতেও হলুদ কার্যকর।

-ফেসবুক কমেন্টস-

মন্তব্য